আরেকটু হলেই হুঁক্কা হুয়া, অক্কা পেলো হয়ে যেত। জীবন-মৃত্যুর
সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে টের পেলাম অসহায়বোধ মানুষকে কতখানি পরনির্ভর করে তুলতে
পারে। আজিকে এই পরাণের মাঝখানে, কত হেমন্ত কত বসন্ত এসেছে মামুর আহ্বানে।
নিছক প্রলাপ নাকি ঘোরতর চক্রান্ত? এর মাঝে হলো কি, মামা তার
মোলো কি? অথবা কি ঠ্যাং গেল মটকে? কাল রাত থেকে একটা চড়াই পাখি আমার
কড়িকাঠে বাসা বেঁধেছে। সম্ভবত তারপর থেকেই আমার দেওয়াল ঘড়িটা আহ্লাদে
ডগমগ, ক্রমাগত ঢং ঢং করে সময়ে অসময়ে পাড়ার কানকাটা ভুলো কুকুরটার মতন আনন্দ
জানিয়ে চলেছে। যখন রাতে ঘুম আসেনা, চড়াইটা ভারী অপ্রস্তুত হয়ে জিজ্ঞেস
করে, "কিঁচ?" মানে, তার জন্যে আমার কোনো অসুবিধে হচ্ছে কিনা। আমি কিছু বলার
আগেই গ্র্যান্ডফাদার ক্লকটা প্রবল উৎসাহে মাথা নেড়ে ঢং ঢং করে। তারপর
সারারাত চলে দ্বৈত সঙ্গীত, কিঁচ-ঢং-কিঁচ-কিঁচ-টং, টং-কিঁচ-কিঁচ-ঢং-কিঁচ-ঢং।
No comments:
Post a Comment