একটা ফড়িং আসে রোজ। তার ডানায় সূর্য্যের আলো পড়লে রামধনু ওঠে। ভারী নরম স্বভাবের ফড়িং, আজকাল তেলাপোকাদের হৈ-চৈ এর মাঝে এমন একটা দল-ছুট ফড়িং কি করে এখানে এসে পরলো ভেবে একটু অবাক হয়েছিলাম। তাকে শুধালাম, "হ্যাঁ গা, তুমি এমন ধারা কেন?" সে ভারী লজ্জা পেয়ে চোখ নত করে রইলে। তাকে যত বলি, যে সে আদপে একটা ফড়িং, সে তত গোঁ ধরে তেলাপোকা সাজবে। তাতে অবশ্য আমার ভারী মজা লাগে, অমন চমৎকার পাতলা ফিনফিনে ডানায় যখন আলো পরে পিছলে যায় আর রকমারি রঙের ঝিলিক দেয়, তখন সে ভারী অপ্রস্তুত হয়ে নিজেকে লোকাতে চায়, ভাবখানা এই, যেন কি অপরাধটাই না করে ফেলেছে। আমি তো তার কান্ড দেখে হেসে খুন।
ফড়িংটা আবার চমৎকার গান গায়। মোটের ওপর ভারী লক্ষ্মী ফড়িং, মাঝে মাঝে মন খারাপ করে বসে থাকে, তার চোখের তারায় নদীর পাড়ে তার প্রিয় মাধবীলতা গাছের ছায়া দেখি। আমি বুড়ো ঘাস পোকার ছদ্মবেশে গোয়েন্দা পোয়াবারো, রোদ্দুরে নিজের পা দুটো মেলে বসে থাকি মুখে একটা মিষ্টি তামাকের গন্ধওয়ালা পাইপ ঝুলিয়ে। ফড়িং তুই ভালো থাকিস।
ফড়িংটা আবার চমৎকার গান গায়। মোটের ওপর ভারী লক্ষ্মী ফড়িং, মাঝে মাঝে মন খারাপ করে বসে থাকে, তার চোখের তারায় নদীর পাড়ে তার প্রিয় মাধবীলতা গাছের ছায়া দেখি। আমি বুড়ো ঘাস পোকার ছদ্মবেশে গোয়েন্দা পোয়াবারো, রোদ্দুরে নিজের পা দুটো মেলে বসে থাকি মুখে একটা মিষ্টি তামাকের গন্ধওয়ালা পাইপ ঝুলিয়ে। ফড়িং তুই ভালো থাকিস।
No comments:
Post a Comment