মেট্রো করে বাড়ি ফিরছি। যদি দৃঘাংচুর লোক জানতে পারে, অতর্কিতে আক্রমণ এবং অচিরেই ঘ্যাচাং ফু। অর্থাৎ পোয়াবারোর এক পোয়াও অবশিষ্ট থাকবে না। এই যে আমার সামনের সিটে পক্ক কেশ, ঋজু চেহারার অধিকারী এই দাদুটি নিশ্চিন্তে ঝিমোচ্ছেন, কে জানে ইনিও দৃঘাংচুর লোক কিনা। একটা আলপিনের ডগায় এক ফোঁটা তিড্ডিমের রস মাখিয়ে পকেটে রেখে দিলেই আর দেখতে হচ্ছে না, নামবার অছিলায় ভিড়ের মাঝে ছোট্ট একটা খোঁচা, ব্যাস সারা গায়ে রাশি রাশি লোম, একেবারে লোমাক্রান্ত যাকে বলে।
একবার বর্মা মুলুকে এক দুর্ধর্ষ চৈনিক দস্যুর কবলে পরে রেঙ্গুন থেকে এক মালবাহী জাহাজে খালাসীর ছদ্মবেশে চলে যাই আফগান সীমান্তে, সেখানে মরুভূমির মাঝে একদল বেদুঈনের সাথে আলাপ হয়। আমি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দেশের লোক জেনে তাঁরা অত্যন্ত যত্নসহকারে আমাকে গামলা ভর্তি দুম্বার স্যুপ খেতে দেয়। কিন্তু সে সুখ বেশী দিন সইলো না, অচিরেই সেখানেও আমার পিছু ধাওয়া করে সেই চৈনিক দস্যু, এবং যথা সময়ে সুযোগ বুঝে তিড্ডিমের খোঁচা। ব্যাস, পাক্কা দু-মাস গোয়েন্দা পোয়াবারো to লোমশ গোরিলা। এমনকি পাড়ার কালী আর্ট সেলুনের নাপিত হারাধন-দা পর্যন্ত গোটা তিনেক কাঁচি ভেঙে আমাকে দেখলেই সেলুনের ঝাঁপ নামিয়ে দিত।
যাক, সন্দেহজনক দাদুটি এই মাত্র ভিড় ঠেলে নেমে গেলেন। তবে কি তার পাশে ঢুলু ঢুলু চোখে বসে থাকা কাকীমাটি...?
একবার বর্মা মুলুকে এক দুর্ধর্ষ চৈনিক দস্যুর কবলে পরে রেঙ্গুন থেকে এক মালবাহী জাহাজে খালাসীর ছদ্মবেশে চলে যাই আফগান সীমান্তে, সেখানে মরুভূমির মাঝে একদল বেদুঈনের সাথে আলাপ হয়। আমি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দেশের লোক জেনে তাঁরা অত্যন্ত যত্নসহকারে আমাকে গামলা ভর্তি দুম্বার স্যুপ খেতে দেয়। কিন্তু সে সুখ বেশী দিন সইলো না, অচিরেই সেখানেও আমার পিছু ধাওয়া করে সেই চৈনিক দস্যু, এবং যথা সময়ে সুযোগ বুঝে তিড্ডিমের খোঁচা। ব্যাস, পাক্কা দু-মাস গোয়েন্দা পোয়াবারো to লোমশ গোরিলা। এমনকি পাড়ার কালী আর্ট সেলুনের নাপিত হারাধন-দা পর্যন্ত গোটা তিনেক কাঁচি ভেঙে আমাকে দেখলেই সেলুনের ঝাঁপ নামিয়ে দিত।
যাক, সন্দেহজনক দাদুটি এই মাত্র ভিড় ঠেলে নেমে গেলেন। তবে কি তার পাশে ঢুলু ঢুলু চোখে বসে থাকা কাকীমাটি...?
No comments:
Post a Comment